বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ || সময়- ২:৫০ am
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে লাখো মানুষের ঢল
বুধবার ২৮ জুন ২০১৭ , ৭:৪৫ pm
কক্সবাজারে লাখো মানুষের ঢল

কক্সবাজার : ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। সমুদ্র সৈকত ছাড়াও অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। নানা বয়সী পর্যটকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে কক্সবাজার সৈকত। সাগরের নীল জলরাশিতে উচ্ছ্বাসে মেতেছে আগত পর্যটকরা। পর্যটক আগমণে যেমন ব্যবসায়ীরা খুশি, তেমন কোনো ভোগান্তি না থাকায় আনন্দিত পর্যটকরাও। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বিরুপ আবহাওয়া ও বন্যার আশঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সব কিছু ভাল থাকায় গতকাল মঙ্গলবার থেকে পর্যটকের আগমন ঘটছে কক্সবাজারে। নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে দূরে সাগর পাড়ের বালিয়াড়িতে আনন্দে মেতে উঠছে কক্সবাজারে আসা ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলোকে নানাভাবে সাজানো হয়েছে। সংস্কার করে নতুন করে সাজানো হয়েছে হোটেলগুলো। সৈকতে আনন্দে মেতেছে পর্যটকরা। পরিবার নিয়ে কক্সবাজারে এসে ভাল লাগার কথা জানান, চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে কক্সবাজার এসে অনেক ভাল সময় কাটাচ্ছি।

আবার নোয়াখালী থেকে আসা পর্যটক নুরুল কবির বলেন, বন্ধুদের নিয়ে হৈ চৈ করে ভালো সময় পার করছি।
প্রচুর পরিমাণ পর্যটক আসায় খুশি হোটেল ব্যবসায়ীরা। হোটেল মালিক কলিম উল্লাহ বলেন, আবহাওয়ার অবস্থা দেখে মনটা খুব খারাপ ছিল। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে মানুষের আগমন দেখে খুবই ভাল লাগছে। আমার হোটেলে এখন কোনো কক্ষ খালি নেই।
কক্সবাজারের প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল মোটেল রয়েছে। এসব হোটেল মোটেলে ২ লক্ষাধিক পর্যটকের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এসব হোটেলের সব কক্ষে এখন পর্যটক রয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব ওমর সোলতান।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল জানান, আগত পর্যটদরে নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশ এক সাথে কাজ করছে। নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলী হোসেন জানান, পর্যটক হয়রানি বন্ধে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দুটি টিম কাজ করছে।