বুধবার ২২ নভেম্বর ২০১৭ || সময়- ১০:৩৬ am
মিরাজের প্রথম; সাকিবের দ্বিতীয় আঘাত
মঙ্গলবার ২৯ আগস্ট ২০১৭ , ৪:২০ pm
সাকিব-মিরাজ.jpg

প্রহরনিউজ, খেলা: স্পিনারদের স্বর্গরাজ্যে মেহেদী মিরাজের কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। অজিদের প্রথম ইনিংসেও প্রথম আঘাত হেনেছিলেন তিনি। এবার দ্বিতীয় ইনিংসে ম্যাট রেনশকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দিলেন দলকে। ২৭ রানে প্রথম উইকেট হারাল সফরকারীরা। অবশ্য প্রথম উইকেটটি সাকিবও পেতে পারতেন, যদি না স্লিপে ডেভিড ওয়ার্নারের ক্যাচটি সৌম্য সরকারের হাতছাড়া না হতো। পরের ওভারেই উসমান খাজাকে (১) তাইজুল ইসলামের ক্যাচে পরিণত করেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

এর আগে ২২১ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় বাংলাদেশ। সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন তামিম ইকবাল। ৬ উইকেট নেন অজি স্পিনার নাথন লায়ন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা। তাইজুল ইসলামের (৪) উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে বাংলাদেশ।

দলীয় ৬১ রানে অজি স্পিনার নাথান লায়নের বলে তিনি এলবিডাব্লিউ হয়ে যান। তামিমের নতুন সঙ্গী ইমরুল কায়েসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মাত্র ২ রান করে সেই লায়নের বলেই এলবিডাব্লিউয়ের শিকার হন।
এরপর দারুণ এক জুটি গড়েন তামিম ইকবাল এবং অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তামিম তুলে নেন ক্যারিয়ারের ২৪তম এবং চলতি ম্যাচে টানা দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি। তবে আবারও সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হলো দেশসেরা ওপেনারকে। প্যাট কমিন্সের বলটি তামিমের হ্যান্ডগ্লাভসটি সামান্য স্পর্শ করেছিল। আম্পায়ার আলিম দার প্রথমে আউট দেননি। তবে অজিরা রিভিউ নিলে ৭৮ রান করা তামিমকে ফিরতে হয় প্যাভিলিয়নে। তামিমের আউটের সাথে সাথে শেষ হয় মুশফিকের সঙ্গে তার ৬৮ রানের দারুণ কার্যকরী এক পার্টনারশিপ।

সাকিবও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। প্রথম ইনিংসে ৮৪ রান করা সাকিব আজ ৫ রান করেই লায়নের বলে কমিন্সের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর ৪৩ রানের জুটি গড়ে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং তরুণ সাব্বির রহমান। কিন্তু আচমকা ধস নামে। ৪১ রান করে রানআউট হয়ে যান মুশফিক। এক ওভার পরেই কোনো রান না করে অ্যাস্টন অ্যাগারের বলে ক্যাচ দেন নাসির। সাব্বিরের (২২) লড়াই থামল লায়নের ফিরতি ওভারে হ্যান্ডসকম্বের তালুবন্দী হয়ে।

টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস যখন শেষ হওয়ার অপেক্ষা, তখন আবারো প্রতিরোধ গড়েন মেহেদী মিরাজ আর শফিউল ইসলাম। ২৮ রানের জুটি গড়ে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেন দুজন। অ্যাগারের ওভারে একটা চার হাঁকিয়ে পরের বলেই ক্যাচ দেন তিনি। ১৩ রানের ইনিংসে মেরেছেন ৩টি বাউন্ডারি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মেহেদী মিরাজ তুলে নাথান লায়নের শিকার হন। তার ২৬ রানের ইনিংসটির কী যে গুরুত্ব তা বলে শেষ করা যাবে না।