বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ || সময়- ২:৩৬ am
মিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় দগ্ধ সাত লাশ
বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ৪:০২ pm
জঙ্গি আস্তানায় দগ্ধ সাত লাশ

প্রহরনিউজ, ঢাকা: রাজধানীর মিরপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ তল্লাশি করে দগ্ধ সাত লাশ পেয়েছে র‌্যাব। বুধবার দুপুরে এ কথা জানান র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ।

এর আগে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান জানান, জঙ্গি আস্তানার একটি রুম তল্লাশি করে তিনটি দগ্ধ লাশ পাওয়া যায়। লাশ তিনটি নারী না পুরুষের তা সনাক্ত করা যায়নি।

বুধবার সকাল ৯টায় মুফতি মাহমুদ খান জানান, র‌্যাব ওই ভবনে ফের অভিযান শুরু করেছে।

সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে ফায়ারর সার্ভিসের উপ পরিচালক দেবাশিস বর্ধন জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনে প্রবেশ করে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।

এদিকে উদ্ধার অভিযান শুরুর পর পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক ও র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এর আগে ওই বাড়িতে কয়েক দফা বিস্ফোরণ ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় ওই বাড়ি থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

রাজধানীর মিরপুরের বর্ধনবাড়ি এলাকার আস্তানায় অবস্থান করা জঙ্গি আবদুল্লাহ র‌্যাবের আহ্বানে আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়েও শেষ পর্যন্ত মত পাল্টে ফেলে। শুধু তাই নয়, অভিযানের ঘেরাটোপে আটকে থাকা অবস্থাতেই গতকাল মঙ্গলবার রাতে আস্তানার ভেতর থেকে পর পর চার দফায় ভারি বিস্ফোরণও ঘটায়। কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। থেমে থেমে শোনা যায় গুলির শব্দ। বিস্ফোরণে ছয়তলা বাড়িটির পঞ্চমতলায় আগুন ধরে যায়।

সোমবার রাতে টাঙ্গাইলের জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে একটি বেসরকারি বিশ্বিবিদ্যালয়ের ছাত্রসহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের জঙ্গি আস্তানা ঘিরে ফেলা হয়।

মাজার রোডের পাশে বর্ধনবাড়ি ভাঙ্গা ওয়ালের গলির ২/৩-বি হোল্ডিংয়ে ছয় তলা ওই বাড়ির পঞ্চম তলায় আবদুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী, দুই সন্তান ও দুই সহযোগীসহ মোট সাতজন অবস্থান নিয়েছিলেন বলে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান।

র‌্যাব বলছে, আবদুল্লাহ একজন ‘দুর্ধর্ষ জঙ্গি’, সে ২০০৫ সাল থেকে জঙ্গিবাদে জড়িত। মিরপুর মাজার রোডের দীর্ঘদিনের এই বাসিন্দা ইলেকট্রনিক সামগ্রী মেরামতের কাজ করেন।