বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ || সময়- ১১:৩৫ am
লতা থেকে গুলাম আলি, ছোটো থেকেই কণ্ঠ নকল করতে ওস্তাদ আশা
শনিবার ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ৩:১৪ am
আশা ভোঁসলে.jpg

প্রহরনিউজ, মুম্বই : ছোটোবেলায় দিদি রের্কডিং সেরে বাড়ি ফিরলেই নতুন গানটা আবিকল দিদির গলায় গেয়ে দিতেন আশা। একটি জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে একথা বলেছিলেন আশা ভোঁসলে৷ সে আজকের গল্প নয়৷ বেশ কিছুকাল আগের কথা৷ টেলিভিশন চ্যানেলে স্মৃতিচারণ করছিলেন তিনি৷

তবে শুধু দিদির গলা নকল করতেন, তাই নয়৷ যেকোনও কণ্ঠ নকল করতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার৷ ছোটবেলায় একবার রেডিওতে ইংরাজি পপ তারকার গলা নকল করে গেয়ে মাকে শুনিয়েছিলেন তিনি৷ শুধু গান গাওয়া নয়৷ মায়ের পেটিকোটের নিচের অংশটা একটু ছিঁড়ে, সেটা পরে, অবিকল সেই শিল্পীর বেশে সেজেওছিলেন৷ অত কষ্ট করে কণ্ঠ নকল করে ইংরাজি গানটি তোলার পর, মা মেয়েকে প্রশংসার বদলে এমন শাসন করেছিলেন, যে তাঁর মায়ের হাতের একটি কাঁচের চুড়িও সেদিন আস্ত থাকেনি।
- Advertisement -

হিন্দি, মারাঠি মিলিয়ে মোট ২০টি ভাষায় ১২০০০ গান গেয়েছেন আশা ভোঁসলে। চার বোনের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণবন্ত স্বভাবের মানুষ তিনি৷ অথচ তাঁর জীবনে নেমে এসেছিল একের পর দুঃখ৷ প্রথম বিয়ে সুখের হয়নি৷ পরবর্তী জীবনেও মেলেনি শান্তি৷ হারিয়েছেন একের পর এক কাছের মানুষকে। গান গাওয়া ছাড়াও মারাঠি চলচ্চিত্র “মাই”–তে সফলতার সঙ্গে আভিনয় করেন মায়ের ভূমিকায়। একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “গান করার থেকে অভিনয় অনেক সহজ।”

আশাজি পরিচিতি পেয়েছিলেন “তিসরি মাঞ্জিল” ছবির সেই বিখ্যাত গান “আজা আজা ম্যায় হুঁ পেয়ার তেরা” দিয়ে, অথচ তিনি মনে করতেন ওই গানটা তিনি গাইতেই পারেননি। ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম, যিনি সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছেন। আজ সেই সুরেলা জীবনের সফর ৮২ বছরে পদার্পণ করল। তাঁর জন্মদিনে আমাদের পক্ষ থেকে তাঁর জন্য় রইল অশেষ শুভেচ্ছা।

সূত্র : ইন্টারনেট