মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭ || সময়- ৬:৪৯ pm
সকাল-বিকাল বাড়ছে পেঁয়াজের দাম!
শুক্রবার ৩ নভেম্বর ২০১৭ , ২:৪৪ pm
Ahad_^†ch†m (13).jpg

প্রহরনিউজ, অর্থনীতি: সকাল বিকাল বাড়ছে পেঁয়াজের দাম! এমনই কথা জানালেন এক বিক্রেতা। দর এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কেজি হিসাবে পেঁয়াজ কেনার সামর্থ্য সবার না-ও থাকতে পারে। কয়েকমাস আগেও ১শ’ টাকার পেঁয়াজ কিনলে মাঝারি পরিবারের পুরো মাস চলে যেতো। কিন্তু বর্তমানে ১শ’ টাকায় ১ কেজি পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক মাস আগেও ২০ টাকায় এক কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ কেনা যেতো। কিন্তু বর্তমানে এক হালি দেশী পেঁয়াজ ২০ টাকায় কেনা যাবে কিনা তাতেও সন্দেহ রয়েছে।
আজ সকালে মিরপুরের তালতলা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভারতীয় বড় সাইজের পেঁয়াজ ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর আবাসিক এলাকা বা মুদির দোকানে কোনো বিক্রেতা নতুন কেনা দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৯০-১০০ টাকাও চাইছেন। অবশ্য গতকাল কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানগুলোতে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৭৮ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৫৮ টাকায় বিক্রি হয়।
তালতলা বাজারের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর কাছে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারওয়ান বাজারেই পেঁয়াজের দাম বাড়ে-কমে। আমরা বেশি দামে কিনে কম দামে বেচবো কিভাবে। জায়গায় কমলে আমরাও কম দামে বিক্রি করি। বাড়লে আমরাও বাড়াইয়া বেচি।
এক ক্রেতার সঙ্গে আলাপ করলে তিনি জানান, বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে যে যেভাবে পারছে জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে। খেতে হয় তাই কিনতেও হয়। তাছাড়া মিরপুরের অধিকাংশ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন আলু প্রতিকেজি ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ১০০-১২০, সিম ১৫০-২০০, বেগুন ৮০-৯০, ঢেঁড়স ৭০-৮০, করলা ৮৫-৯০, পেঁপে ৩৫-৪০, মুখি কচু ৪০-৫০, কচুরলতি ৬০-৬৫, শসা ৫০-৬০, ঝিঙা ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাল কেজিতে ২-৩ টাকা কমেছে। মাছের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৩০-১৪০ টাকা, দেশি মুরগির কেজি ৩২০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া গরুর মাংস ৪৫০-৫০০, খাসির মাংস কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।