মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭ || সময়- ৬:৩৪ pm
ভারত-পাকিস্তানে হাজার হাজার স্কুল বন্ধ ঘোষণা!
শুক্রবার ১০ নভেম্বর ২০১৭ , ৭:৩৯ pm
Poisonous-smog_576x449

প্রহরনিউজ, নয়াদিল্লী: বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ভারত-পাকিস্তানের হাজার হাজার স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার চতুর্থ দিনের মতো মারাত্মক বিষাক্ত ধোঁয়াশা অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে কর্তৃপক্ষ স্কুলসমূহ বন্ধ করে দিয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে ঘোষণা করেছে সেখানকার চিকিৎসকরা। এ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতিও আহ্বান জানানো হয়েছে। খবর এএফপি’র।

পাঞ্জাব সরকার জানিয়েছে, তারা রাজ্যের ২৫ হাজার স্কুলের সবগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। দূষিত বাতাস উত্তর ভারত ও পাকিস্তানের কিছু অংশ ঢেকে রেখেছে। দিল্লী কর্তৃপক্ষ রোববার পর্যন্ত ছয় হাজার স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এর একদিন পর পাঞ্জাব সরকারের ঘোষণাটি এলো।

ব্রহ্মপুত্র নদীপথে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের কথা ভাবছে ভারত ভারতের পূর্বাঞ্চলে চীন সীমান্তের দোরগোড়ায় সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে যেতে ব্রহ্মপুত্র নদী ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে দেশটির সেনাবাহিনী।

টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানায়, সেনাবাহিনী ও ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া (আইওডব্লিউএআই) যৌথভাবে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ডিব্রুগড়ের বোগিবিজ ঘাট থেকে জরিপ অভিযান শুরু করেছে। এতে আসামের সাদিয়া থেকে পশ্চিমে ধাবরী পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের ৮৯১ কিলোমিটার জরিপ করা হবে।

তিব্বতের সাংপো নদী অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশের পর দীহাং (বা সিয়াং) নাম ধারণ করে। পরে ভারতের আসাম প্রদেশে এর নাম হয় ব্রহ্মপুত্র। আসামের ধুবড়ি জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর গঙ্গার সাথে মিলিত হয় ব্রহ্মপুত্র।

প্রতিরক্ষা দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিউটন বলেন, ‘এই জরিপের লক্ষ্য হচ্ছে সাদিয়া-ধুবরি অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র নদীর ৮৯১ কিলোমিটার দিয়ে বড় আকারের বাণিজ্যিক ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য যে অতিরিক্ত অবকাঠামো প্রয়োজন তা চিহ্নিত করা। ১৯৮৮ সালে এই নদীপথকে জাতীয় জলপথ নাম্বার ২ (এনডব্লিউ-২) হিসাবে ঘোষণা করা হলেও তা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে।’

ভারতীয় সেনাবাহিনীর জোড়হাট উপ-অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) মেজর জেনারেল বালরাজ মেহতা এবং আইওডব্লিউএআই সচিব শশী ভূষণ শুক্লা, যৌথভাবে স্কোপিং মিশনের উদ্বোধন করেন।

পিআরও জানান, এই মিশন ব্রহ্মপুত্র নদী বরাবর বিভিন্ন স্থান জরিপ করবে এবং একটি মাল্টি-মোডাল ট্রান্সপোর্ট কনসেপ্টে এনডব্লিউ-২ এর মাধ্যমে পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উপর মনযোগ দেবে।

তিনি বলেন, ‘এটি বাণিজ্যিক পণ্য, যাত্রী ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের সুপারিশ করবে জরিপ কমিটি। এছাড়া সড়ক ও রেল সংযোগ দিয়ে স্থায়ী টার্মিনাল স্থাপনের জন্য নতুন স্থানগুলো চিহ্নিত করা হবে, যা বাণিজ্যিক এবং প্রতিরক্ষা উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা যাবে।’