বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ || সময়- ১:২৯ am
বিজিএমইএ ভবনের সামনে শ্রমিকদের দ্বিতীয় দিনেও লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি
সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০১৭ , ২:১৫ pm
01.jpg

ঢাকা: গাজীপুরের লাক্সমা সোয়েটার কারখানার আন্দোলনরত শ্রমিকরা আজ ২৭ নভেম্বর ২০১৭, সোমবার বিজিএমইএ ভবনের সামনে টানা দ্বিতীয় দিনের মত লাগাতার অবস্থান অব্যাহত রেখেছে। তিন মাসের বকেয়া মজুরি এবং বেআইনীভাবে বন্ধ কারখানা খুলে দেয়ার দাবিতে শ্রমিকরা গতকাল লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। শ্রমিকরা রাতেও বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান করে।
আজ সকাল ৮টায় আন্দোলনরত শ্রমিকরা কাওরানবাজার এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কার্যকরি সভাপতি কাজী রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার, কেন্দ্রীয় নেতা সাদেকুর রহমান শামীম, ইকবাল হোসেন, জালাল হাওলাদার, এমএ শাহীন, মঞ্জুর মঈন, জয়নাল আবেদীন, মোহাম্মদ শাজহান, আব্দুস সালাম বাবুল, আজিজুল ইসলাম, লুৎফর রহমান আকাশ প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ, অবিলম্বে শ্রমিকদের দাবি মেনে নিয়ে সংকট নিরসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তারা বলেন, লাক্সমা সোয়েটারের সহস্রাধিক শ্রমিকের সাথে মালিক পক্ষ যে অবিচার করছে সরকার এটা দেখেও না দেখার ভান করতে পারে না। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরসমূহ ঠুটো জগন্নাথে পরিণত হয়েছে। আইন শৃংখলা বাহিনী কোন অদৃশ্য ইশারায় মালিকদের পক্ষাবলম্বন করছে। তারা দুষ্টের লালন আর অসহায় শ্রমিকদের দমনের পথ গ্রহণ করেছে।
সমাবেশ থেকে সারা দেশের শ্রমিক মেহনতি মানুষ এবং বিবেকবান জনতার প্রতি আন্দোলনরত শ্রমিকদের প্রতি সক্রিয় সংহতি প্রকাশের আহŸান জানান।
আজ লাগাতার অবস্থানের দ্বিতীয় দিনে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি স্কপ এর কেন্দ্রীয় নেতা কামরুল আহসান, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সহ-সভাপতি শ্রমিকনেতা মাহাবুব আলম, জাতীয় শ্রমিক জোটের নির্বাহী সভাপতি আবদু ওয়াহেদ এবং গার্মেন্ট শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি শ্রমিকনেতা আহসান হাবিব বুলবুল, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনরত নেতৃবৃন্দ বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অবস্থা কর্মসূচি চলবে। আজ সন্ধ্যা ৭টায় অবস্থানস্থলে সংবাদ ব্রিফিং‘র মাধ্যমে আন্দোলনের বর্তমান পরিস্থিতি এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।