সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ১২:৫৯ pm
সেল্‌ফি তোলা মানসিক রোগ!
মঙ্গলবার ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ , ৭:১২ pm
selfie_720x405

প্রহরনিউজ, স্বাস্থ্য: সম্প্রতি দুই মনস্তত্ত্ববিদ বলেছেন, সেল্‌ফি তোলার নেশা নাকি একটা মানসিক রোগ। রোগের পোশাকি নাম সেলফাইটিস। সেল্‌ফি সংক্রান্ত এক সমীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল এ প্রজন্মের  ৪শ'জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে। তাদের অধিকাংশের বয়স পনেরো-ষোল বছর।  সমীক্ষার স্থান হিসেবে ভারতকে বেছে নেওয়া হয়। ভারতেই ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি! দ্বিতীয়ত সেল্‌ফি তুলতে গিয়ে ঘটে যাওয়া মৃত্যুর তালিকাতেও এক নম্বরে রয়েছে ভারত। সমীক্ষার ফলাফল বলছে, রোগের তিনটি পর্যায় রয়েছে। দিনে তিনটি সেল্‌ফি তুলছেন কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করছে না, এমনটা হলে সেলফাইটিসের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন আপনি। সচেতন হওয়ার সময় এসেছে। একই পরিমাণ ছবি তুলে আপলোড না করা পর্যন্ত শান্তি হচ্ছে না যাদের, তাঁরা পৌঁছে গিয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ে। আর দিনভর সেল্‌ফি তুলে ফেসবুক, ইন্টাগ্রামে পোস্ট করাই যাদের একমাত্র লক্ষ্য, তাঁরা সেলফাইটিসে শুধু আক্রান্ত নন, নিজেদের অভ্যাস আর নিজেদেরই নিয়ন্ত্রণে নেই এদের। সমীক্ষা অনুসারে সেলফাইটিসের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্তরে রয়েছে, যথাক্রমে ৪০.৫০%, ৩৪% এবং ২৫.৫০%।

মাদুরাই-এর জনার্থনন বালকৃষ্ণন এবং মার্ক ডি গ্রিফিথস তাঁদের যৌথ গবেষণাপত্রে উল্লেখ করেছেন, সেলফাইটিসে  কম বেশি আক্রান্ত তরুণ প্রজন্ম মনে করে পরিচিত মহল অথবা ভার্চুয়াল দুনিয়ায় নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সেল্‌ফি অপরিহার্য। ‘মেন্টাল হেলথ অ্যাডিকশন’ জার্নালে প্রকাশিত হওয়া গবেষণায় উঠে এসেছে বেশ আশ্চর্য কিছু তথ্য। যেমন, সমীক্ষা চলাকালীনও সেল্‌ফি তোলা থেকে বিরত থাকতে পারেনি বেশ কিছু ছেলে মেয়ে।