সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ১:০০ pm
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৌলভীবাজারের ৫ জনের রায় আজ
বুধবার ১০ জানুয়ারী ২০১৮ , ১২:৩৮ pm
Maulvibazar_576x351

প্রহরনিউজ, অপরাধ: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শামসুল হোসেন তরফদারসহ পাঁচ রাজাকারের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হবে আজ বুধবার। অন্য আসামিরা হলেন- মোবারক মিয়া, নেসার আলী, ইউনুস আহমেদ এবং ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী। তবে ইউনুস আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী ছাড়া বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য আজ দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। প্রসিকিউটর আবুল কালাম ও রেজিয়া সুলতানা চমন। আসামিদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।

গত বছরের ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শামসুল হোসেন তরফদারসহ পাঁচ রাজাকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযুক্ত পাঁচজন হলেন-শামসুল হোসেন তরফদার, মোবারক মিয়া, নেসার আলী, ইউনুস আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী। ইউনুস আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরী ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২৬ মে এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা।

গত বছরের ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকেলেই রাজনগর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের ওজায়ের আহমেদ চৌধুরীকে মৌলভীবাজার শহরের চৌমোহনা থেকে ও সোনাটিকি গ্রামের মৌলভি ইউনুছ আহমদকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৫নং অভিযোগে উক্ত পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে একাত্তরের ২৯ নভেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর থানাধীন দক্ষিণ খলাগ্রাম (নরাটিলা) সেকান্দার আলী, শহীদ আব্দুল বাছিত ওরফে বাদশার বাড়ি, রাজনগর থানা এবং মৌলভীবাজার মহকুমা শহরে লুণ্ঠন, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও ন্যাপ নেতা মো. নজাবত আলীকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

এরপর ২০ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।